দিয়েগো ম্যারাডোনা ১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোবর বুয়েনোস আইরেস প্রদেশের লানুস শহরের পলিক্লিনিকো এভিতা হাসপাতালে একটি দরিদ্র পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তবে তিনি বেড়ে ওঠেন ভিয়া ফিওরিতোতে, যা বুয়েনোস আইরেসের দক্ষিণ প্রান্তের একটি শান্তিটাউন। তিন কন্যা সন্তানের পর তিনিই ছিলেন বাবা-মা’র প্রথম পুত্র সন্তান। তার ছোট দুই ভাই ররেছে এল তুর্কো এবং লালো। তারা উভয়েই পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়।

গতদিন বাদে রাতে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পরে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ বিজয়ী ম্যারাডোনার মৃত্যুর খবর। ১৯৬০ থেকে ২০২০ এই ৬০ বছরের হয়েছেন তর্ক-বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনার পাত্র। সবকিছুর ইতি করে তিনি এখন অন্য জগতের যাত্রী। ফেইসবুকে, টুইটার, ইনস্টাগ্রামে সর্বত্রে ছড়িয়ে পরছে শোক বার্তা। ডিয়েগো আরমান্ডো ম্যারাডোনার মৃত্যুতে দেশের প্রেসিডেন্ট তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষনা করেছেন। আর্জেন্টিনার সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রেমীদের জন্য খুব দুঃখের দিন, বিশেষ করে আর্জেন্টাইনদের জন্য। যে অবারিত আনন্দ ডিয়েগো আমাদের দিয়েছেন তার অনুভূতি কখনো মুছে যাবে না।