ইয়াছির আরাফাতঃ

ভেজা মাঠের কারনে ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা ৯.৩০ এর পরিবর্তে শুরু হয়েছে ১০.৫০ মিনিটে। আর চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হওয়ার পরই সিরিজে প্রথমবার বাংলাদেশী পেসাররা নিজেদের সামর্থ্য দেখিয়েছেন।দিনের ১ম সেশনের ১ম ত্রিশ মিনিটেই দুই অপরাজিত ব্যাটার আজহার আলী এবং বাবর আজমকে ফিরিয়েছেন বাংলাদেশী দুই পেসার।

দিনের দ্বিতীয় ওভারেই বল করতে আসেন ইবাদত হোসেন। নিজের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই নিরীহ এক শর্টপিচ ডেলিভারিতে বাউন্ডারি হজম করেন এই পেসার। তবুও, শর্টপিচ বলের কৌশলেই অটল থাকেন ইবাদত।ওই ওভারেরই শেষ বলে গতিময় বাউন্সারে আজহার আলী পুল করতে গিয়ে মিসটাইমিল করে বল আকাশে তুলে দেন। লিটন দাশ সহজ ক্যাচ লুফে নিলে টাইগাররা চতুর্থ দিনের সকালে দ্রুতই প্রথম উইকেটের দেখা পায়।

দিনের প্রথম উইকেট পান ইবাদত
প্রথম উইকেটের পরই টাইগার পেসাররা নিজেদের লাইন লেন্থ খঁজে পায়। এলোমেলো বল আর আলগা রান দেওয়া কমে দেওয় বাংলাদেশী পেসাররা। আঁটসাট বোলিং করেই নিজের ক্যারিয়ারে প্রথম উইকেট পেয়ে যান সিলেটের আরেক পেসার খালেদ আহমেদ। খালেদের করা ইনিংসের ৬৮ তম ওভারের পঞ্চম বলটা গুড লেন্থে পরে কিছুটা ইনসুইং করে বাবরের স্ট্যাম্পের দিকে ঢোকে। কিছুটা নিচু হওয়া সেই বল বাবর মিস করলে এলবিডব্লুর শিকার হয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন।

দুইটা উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশী পেসাররা রানের গতিও আয়ত্তের মধ্যে রেখেছে। চতুর্থ দিন সকালে পাকিস্তানি ব্যাটাররা রান তুলতে পেরেছে ওভারপ্রতি দুইয়েরও কম গতিতে।সুযোগও তৈরী করছেন তারা নিয়মিতই।৭১ তম ওভারের শেষ বলে ইবাদতের ফুলার ডেলিভারিতে রিজওয়ান উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিলে লিটন দাশ ঠিকমতে ক্যাচটি নিতে পারেননি।যদিও আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা আউট দিয়েছিলেন।কিন্তু রিজওয়ান রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান।ক্যাচটি ঠিকমতো ধরতে পারলে ইবাদত নিয়ন্ত্রিত বোলিং এর পুরষ্কারস্বরূপ আরেকটি উইকেট পেতেন।