জুবায়ের আহমেদ, ক্রিকবল নিউজ:২০০৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ৩য় সংস্করণ হিসেবে পথচলা শুরু করে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। ২০০৬ সালে ঘরের মাটিতে শাহরিয়ার নাফিজের নেতৃত্বে জিম্বাবুয়ের সাথে অভিষেক টি২০ ম্যাচ খেলতে নামে বাংলাদেশ। ২৮ই নভেম্বর খুলনায় টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক প্রসপার উৎসেয়া।

বাংলাদেশী দুই ওপেনার নাজমুস সাদাত ও শাহরিয়ার নাফিজ ইনিংস উদ্বোধন করতে নামেন, সাদাত ৩ বলে ৪ রান করে বিদায় নিলেও অধিনায়ক নাফিজ ১৭ বলে ২৫ রানের ইনিংস খেলেন, আফতাব আহমেদ ব্যাট হাতে ঝড় তোলে ১৯ বলে ২৮ রান করেন, সাকিব ২৮ বলে ২৬ রান করেন, নাদিফ চৌধুরী ৭ বলে ১০ রান, ফরহাদ রেজা ৫ বলে ৭ ও মুশফিক ৫ বলে ২ রান করে ফিরলেও মাশরাফি বিন মোর্তুজা ও রফিক ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন, মাশরাফি ২৬ বলে ২টি ছয় ও ২ চারে ৩৬ রান ও রফিক ৫ বলে ৩ চারে ১৩ রানের ইনিংস খেলেন। ১৯.৫ওভারে ১৬৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। উৎসেয়া ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন।

১৬৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে মাশরাফি, রাজ্জাক, শাহাদাতদের বোলিং তোপে পড়ে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৯ রানে থামে জিম্বাবুয়ের ইনিংস। ৪৩ রানে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। রাজ্জাক ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন। মাশরাফি ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ১ উইকেট শিকার করেন। শাহাদাত হোসাইন ২ ওভারে ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। রফিক ৪ ওভারে ২২ ও সাকিব ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

ব্যাট হাতে ২৬ বলে ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলার পর বল হাতে ১ উইকেট শিকার করে দেশের ও নিজের অভিষেক টি২০ ম্যাচেই ম্যাচসেরা হয়ে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখেন মাশরাফি বিন মোর্তুজা।

টি২০ ক্রিকেটে তখনকার সময়ে যোগ্যতানুযায়ী ওপেনার নাজমুস সাদাত ও নাদিফ চৌধুরী জায়গা করে নিলেও পারফর্ম করতে না পারায় জাতীয় দলের হয়ে ক্যারিয়ার গড়া হয়নি তাদের। সাদাতের ক্রিকেট ক্যারিয়ার সেরা হয়ে গেলেও নাদিফ এখনো ঘরোয়া ক্রিকেটের সবকটি আসরে পারফর্ম করে খেলছেন নিয়মিত।