আজ দুপুর ১.৩০ মিনিটে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী বনাম বেক্সিমকো ঢাকার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ ২০২০। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে দেশের প্রথম স্পোর্টস চ্যানেল টি-স্পোর্টস।

মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর নেতৃত্বে আছেন তরুণ ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসাইন শান্ত ও বেক্সিমকো ঢাকাকে নেতৃত্বে দেবেন দেশসেরা উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। প্রেসিডেন্ট কাপে মুশফিকুর রহিম শান্তর অধিনায়কেত্ব একই দলে খেললেও আজ তারা একে অপরের প্রতিপক্ষ অধিনায়ক।

কাগজে কলমে শক্তিশালী দল গড়েছে বেক্সিমো ঢাকা। এগিয়ে রাখার খাতিরে তাদেরকেই এগিয়ে রাখা যায়। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বশেষ ও সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট টি২০ ক্রিকেটে আগ বাড়িয়ে কাউকে এগিয়ে রাখার তেমন সুযোগ নেই, তাছাড়া ম্যাচটি যেহেতু টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ।

রাজশাহীতেও আছে মোহাম্মদ আশরাফুল, নাজমুল হোসাইন শান্ত, রনি তালুকদার, ফরহাদ রেজা, মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান সোহানদের মতো ক্রিকেটার। তবে ইনজুরীর কারনে আজকের একাদশে সাইফুদ্দিন থাকবেন না বিধায় কিছুটা পিছিয়েই থাকছে রাজশাহী।

অপরদিকে ঢাকায় মুশফিকুর রহিম, মুক্তার আলী, সাব্বির রহমান, ইয়াসির আলী, নাইম শেখ, আবু হায়দার রনি, আকবর আলী, নাসুম আহমেদ ও নাইম হাসানদের মতো ক্রিকেটার মিলে দূর্দান্ত দল গড়েছে ঢাকা।

সাইফুদ্দিন না থাকায় রাজশাহীর একাদশ গঠনে ততটা ঝামেলা পোহাতে না হলেও ঢাকার একাদশে পেসার ও স্পিনারদের মধ্য থেকে বাছাই করা কঠিন কাজ হবে। দলটিতে আছে নাসুম আহমেদ ও নাইম হাসানের মতো স্পিনার। পেস অলরাউন্ডার মুক্তার আলীর খেলা প্রায় নিশ্চিত, এর পর পেসার হিসেবে রুবেল হোসেনের খেলা নিশ্চিত হলেও মেহেদী হাসান রানা নাকি আবু হায়দার রনি থাকবে একাদশে নির্ধারণ করতে হবে। আবার একজন ব্যাটসম্যান কমিয়ে খেললে উইকেট অনুযায়ী দুই স্পিনার কিংবা মুক্তার আলী সহ ৪ পেসারকেও দেখা যেতে পারে একাদশে।

রাজশাহীর সম্ভাব্য একাদশ-
নাজমুল শান্ত (অধিনায়ক), রনি তালুকদার, মোহাম্মদ আশরাফুল, শেখ মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান সোহান (উইকেটকিপার), ফজলে মাহমুদ, জাকের আলী, ফরহাদ রেজা, ইবাদাত হোসাইন, সানজামুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।

ঢাকার সম্ভাব্য একাদশ
মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), নাইম শেখ, তানজিদ হাসান তামিম, ইয়াসির আলী রাব্বি, আকবর আলী, সাব্বির রহমান, পিনাক ঘোষ, মুক্তার আলী, রুবেল হোসেন, নাসুম আহমেদ ও আবু হায়দার রনি।

একাদশ যেমনই হোক, দুই দলের একাদশে ২২ জন ক্রিকেটারই বাংলাদেশী হচ্ছে। বিপিএলের মতোই আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে নেই কোন বিদেশী ক্রিকেটার। ফলে সুযোগ বেড়েছে দেশী ক্রিকেটারদের। যারাই একাদশে সুযোগ পাবে, নিজেদের সেরাটা দিয়ে দলের জয়ে অবদান রাখবে এবং নিজেদের প্রমাণ করবে, এমনটাই প্রত্যাশা।