রোমাঞ্চকর জয় দায়দ্রাবাদের

89

আইপিএল ২০২০ এর এলিমিনেটর ম্যাচে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ২য় কোয়ালিফায়ারে উত্তীর্ণ হয়েছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। বল হাতে ৩ উইকেট শিকারের পর ব্যাট হাতে হোল্ডার ২৪ রান করলেও ম্যাচসেরা হন ৫০ রান করা উইলিয়ামসন।

আবুধাবিতে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে ব্যাঙ্গালুরু। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক প্রমাণ করে জ্বলে উঠেন হায়দ্রাবাদের বোলাররা, বিশেষ করে পেসার হোল্ডারের তোপে পরে শুরুতেই ওপেনার কোহলী ৭ বলে ৬ ও পাড়িকাল ৬ বলে ১ রান করে ফেরেন।

তৃতীয় উইকেটে ফিঞ্চ ও ভিলিয়ার্স লড়াই করলেও ৩০ বলে ১ ছয় ও ৩ চারে ৩২ রান করে ফিঞ্চ ও মইন আলী ব্যক্তিগত প্রথম বলেই ফিরলে ৬২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পরে ব্যাঙ্গালুরু।

ডি ভিলিয়ার্স লড়াই করে এগুতে থাকলেও ৪৩ বলে ৫ চারে ৫৬ রান করে ফিরলে শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান থামে ব্যাঙ্গালুরুর ইনিংস। সিরাজ ৭ বলে ১০ ও শায়ানি ৮ বলে ৯ রান করে অপারাজিত থাকেন।

হায়দ্রাবাদের হয়ে ৪ ওভারে মাত্র ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন জেসন হোল্ডার। নটরঞ্জন ৩৩ রান দিয়ে ২ ও নাদিম ৩০ রান দিয়ে ১ উইকেট শিকার করেন।

১৩২ রানেী লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা হায়দ্রাবাদ শুরুতেই ওপেনার গোস্বামীর উইকেট হারায়। গোস্বামী ৩ বলে শুণ্যে ফেরার পর ওয়ার্নার ১৭, পান্ডে ২৪ ও প্রিয়ম গার্গ ৭ রান করে ফিরলে মাত্র ৬৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পরে হায়দ্রাবাদ।

৫ম উইকেটে হোল্ডারকে নিয়ে লড়াই করেন উইলিয়ামসন। আস্কিং রেট বেড়ে গেলেও দুজনে ধীরস্থিরে দলকে জয়ের রেসে রাখেন এবং শেষে ৬ ওভারে ৫১ রানের প্রয়োজনে ব্যাট হাতে ঝড় তোলে ১৯.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়েই ১৩২ রান সংগ্রহ করে ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে সানরাইজার্স।

৬৫ রানের হার না মানা জুটি গড়ে দলকে জয় এনে দিয়ে উইলিয়ামসন ৪৪ বলে ৫০ ও হোল্ডার ২০ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৫০ রান করে ম্যাচসেরা হন উইলিয়ামসন।

এ জয়ের ফলে ২য় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে উত্তীর্ণ হলো সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে পরবর্তী ম্যাচে দিল্লির মুখোমুখি হবে তারা।

আইপিএলে ফাইনাল খেললেও কখনোই শিরোপা জিততে না পারা ব্যাঙ্গালুরু এবার শুরু থেকে দারুণ খেললেও প্লে অফ থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে কোহলী বাহিনীর।