ক্রিকবল ডটকমঃ বিশ্ব হকির অন্যতম পরাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের খেলতে নামা মানেই হালিহালি গোল খাওয়া। ২০১৪ সালে ইনচিয়ন এশিয়ান গেমসের গ্রুপ ম্যাচে বাংলাদেশকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া। গোলের নিচে চাপা পড়ার সেই ধারা থেকে বের হয়েছে বাংলাদেশ।

চার বছরের ব্যবধানে আরেকটি এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি ম্যাচে সেই দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে লড়াই করেই হারলো জিমি-চয়নরা। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার জিনচিয়নের অলিম্পিক ভিলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিকরা ৩-২ গোলে জিতেছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।

দক্ষিণ কোরিয়ার এ দলটিও প্রস্তুতি নিচ্ছে আগামী মাসে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান গেমসের। কয়েকদিন আগে এ দলটি ভারতে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে গেছে। শক্তিশালী এ দলটি বাংলাদেশকে হারিয়েছে ঘাম ঝড়িয়ে। খেলা হয়েছে চার কোয়ার্টারে। প্রথম কোয়ার্টারে স্বাগতিকদের আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে দুটি গোল করে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দক্ষিণ কোরিয়া।
বাংলাদেশ বিরতির পর নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে ব্যবধান কমায় তৃতীয় কোয়ার্টারে।

পুস্কর খিসার পাস থেকে গোল করেন মিলন হোসেন। এর পর দক্ষিণ কোরিয়া নিজেদের তৃতীয় গোল করে। শেষ কোয়ার্টারে বাংলাদেশ ব্যবধান কমায় রাসেল মাহমুদ জিমির গোলে। প্রথম গোলদাতা মিলন হোসেনের বাড়ানো বল থেকে গোল করে জিমি। বাংলাদেশ দুটি গোলই করেছে প্রতি আক্রমণ থেকে।

দক্ষিণ কোরিয়া সফরে বাংলাদেশ স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৫ টি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। শুক্রবার দ্বিতীয় ম্যাচ একই মাঠে সন্ধ্যা সোয়া ৭ টায়। ম্যাচগুলো বিকেলে হওয়ার কথা থাকলেও গরমের কারণে পিছিয়ে সন্ধ্যায় করা হয়েছে।

ম্যাচের ফলাফলে খুশি বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার মোহাম্মদ ইউসুফ। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে জাগো নিউজকে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দলের ম্যানেজার উচ্ছ্বসিত কন্ঠে বলেন, ‘গত ১০ বছরেও দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে এতো ভালো ফলাফল করতে পারেনি বাংলাদেশ। অনেক গোল মিস হয়েছে আমাদের। না হলে ম্যাচটি ড্র করতে পারতাম।’

সিনিয়র খেলোয়াড় গোলরক্ষক অসীম গোপ দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বলেন, ‘আমরা ছোট ছোট ভুল থেকে গোলগুলো খেয়েছি। একটি দল হিসেবে আমরা ভালো খেলেছি। ভারত সফরে যে ভুলত্রুটিগুলো হয়েছিল সেগুলো এখানে কমিয়ে আনতে পেরেছি আমরা।’

তথ্য :জাগো নিউজ।