শুভ জন্মদিন সাঈদ আনোয়ার, আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

202

নিজ সময়ের অন্যতম সেরা স্টািইলিস্ট ওপেনার, সেরা ব্যাটসম্যান। নব্বই দশকেও মেরে খেলায় পারদর্শী ব্যাটসম্যানদের মধ্যেও অন্যতম। বলছিলাম সাবেক পাক ওপেনার সাঈদ আনোয়ারের কথা। আজ সাঈদ আনোয়ারের ৫২তম জন্মদিন। ১৯৬৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর কচারীতে জন্মগ্রহণ করেন সাঈদ আনোয়ার, জন্মদিনের অনেক অনেক শুভ কামনা ও ভালোবাসা।

বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা এই ওপেনার ১৯৮৯ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের মাধ্যমে পাকিস্তানের জাতীয় দলে পা রাখেন। ২০০৩ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা ওপেনার নিজ সময়ে বিশ্বসেরাদের একজন হয়ে খেলেছেন দাপটের সাথে। পাকিস্তানের হয়ে ৫৫ টেস্টে ১১ সেঞ্চুরী ও ২৫ ফিফটিতে করেছেন ৪০৫২ রান।

২৪৭ ওয়ানডেতে ২০ সেঞ্চুরী ও ৪৩ ফিফটিতে ৮৮২৪ রান করেছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে ৬ উইকেটও আছে সাঈদ আনোয়ারের দখলে।

নব্বই দশকের অন্যতম মারকুটে এই ওপেনার ১৯৯৭ সালে ভারতের সাথে খেলেছেন ওয়ানডে ক্রিকেটের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৯৪ রানের ইনিংস, যা সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস হিসেবে একক ভাবে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিলো। এ ইনিংস খেলার পথে ভেঙ্গেছিলেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তী ভিভ রিচার্ডসের গড়া ১৮৯ রানের রেকর্ড। ১৯৯৭ সালে অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যের কারনে একই বছর উইজডেন ক্রিকেটার অব দি ইয়ার নির্বাচিত হয়েছিলেন।

নব্বই দশকের পারফরম্যান্সে সাঈদ আনোয়ার ছিলেন বিশ্বসেরা সেরা তিন ব্যাটসম্যানের একজন এবং তখন সাঈদকে শচিন টেন্ডুলকারের চেয়েও সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে বিবেচনা করা হতো। পারফরম্যান্সে শচিনও পিছিয়ে ছিলেন সাঈদ আনোয়ার থেকে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে মাত্র ২য় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাঈদ আনোয়ার করেছিলেন টানা তিন ম্যাচে তিন সেঞ্চুরী। তার আগে শুধুমাত্র স্বদেশী জহির আব্বাস প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এমন কীর্তি গড়েছিলেন। নিজের খেলা ১৯৯৬, ১৯৯৯ ও ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন সাঈদ আনোয়ারই।

২০০১ সালে মেয়েকে হারানোর পর ক্রিকেট থেকে সাময়িক বিদায় নেওয়া সাঈদ আনোয়ার পুনরায় ফিরে ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ খেলেছেন। একই বছর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের সাথে ওয়ানডে সিরিজ খেলেই বিদায় জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে। তারপর থেকে আজ অবধি ধর্মকর্মেই সময় ব্যয় করছেন এই ওপেনার।