৫ লাল কার্ড ও ১২ হলুদ কার্ড!

146

ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের রোববারের রাতটি নেতিবাচক কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকবে দীর্ঘদিন। যেখানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেইন্ট জার্মেই মুখোমুখি হয়েছিল মার্শেইর। ম্যাচে মাঠের খেলায় ফুটবলের চেয়ে যেন বেশি ছিল মারামারি আর ফাউলের ছড়াছড়ি।

যার ফলে ব্যতিব্যস্ত থাকতে হয়েছে রেফারিকে, একের পর এক বাজিয়েছেন ফাউলের বাঁশি, পকেট থেকে বের করেছেন হলুদ ও লাল কার্ড। আর এতে করেই হয়ে গেছে নেতিবাচক এক রেকর্ড। যা না হলেই হয়তো খুশি হতেন পিএসজি ও মার্শেইর খেলোয়াড়রা।

পুরো ম্যাচে ১২ হলুদ কার্ড ৫ লাল কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। যা কি না চলতি শতকে লিগ ওয়ানের কোনো ম্যাচে সর্বোচ্চ কার্ডের রেকর্ড। এর বাইরে ম্যাচের পুরো সময়ে দুই দল মিলে মোট ফাউলই করেছে ৩৬ বার। অর্থাৎ ৯০ মিনিটের মধ্যে অন্তত ৩৬ বার খেলা থামাতে হয়েছে রেফারিকে।

অতিরিক্ত যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে দুই দলের খেলোয়াড়রা। যা থামাতে বেশ বেগ পেতে হয় রেফারিকে।

সবাইকে শান্ত করার পর একে একে পিএসজির লেওনার্দো পারেদেস ও ল্যাভিন কুরযায়া এবং মার্শেইর জর্ডান অ্যামেভি ও দারিও বেনদেত্তোকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। এরপর মার্শেইর ডিফেন্ডার আলভারো গঞ্জালেজের অভিযোগের ভিত্তিতে ভিডিও এসিস্ট্যান্ট রেফারির সহায়তা নেয়া হয়।

সেখানে দেখা যায় অভিযোগকারী খেলোয়াড়কে মাথার পেছন দিকে থাপ্পড় দিয়েছেন নেইমার। এ অপরাধে ম্যাচের রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখান নেইমারকে। পরিহাসের হাততালি দিয়ে মাঠ ছেড়ে যান নেইমার। ঠিক তখনই পেছন থেকে নেইমারকে বর্ণবাদী গালি দিতে থাকেন গঞ্জালেজ।

মাঠ ছাড়ার সময়ই ডাগআউটের কাছাকাছি এসে নেইমার বলছিলেন, ‘সে (গঞ্জালেজ) রেসিস্ট, সে বর্ণবাদী মন্তব্য করছে।’ পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ কথা জানিয়ে নেইমার লিখেছেন, ‘ভিএআর দিয়ে আমার অপরাধ শনাক্ত করা গেছে। কিন্তু সে যে আমাকে বানর ও শুকরছানা বলে গালি দিয়েছে, এটার কী হবে?’

সূত্র-জাগো নিউজ